মৃত্যুর রং মোমবাতির আলোর মতো......
শত সহস্র জ্বলা মোমবাতির কাছে আমি স্থির, মাথানত।
প্রহরীরা ঘুমে ঢুলছে তখন......
আমি টপকে উঠে পড়ি হাসপাতালের ছাদের উপর।
শহরের, গ্রামের প্রত্যেকটা হাসপাতাল, মর্গ নিথর।
আমি প্যাঁচা আর বাদুড়ের গলা টিপে দুহাতে.....
ফস করে যোগ দিই মোমবাতির সতীদাহে, চিরন্তন।
শত সহস্র মোমবাতির আলোতে আমি প্রীয় মৃত্যুকে সেলিব্রেট করি এভাবে এখন.....
নতজানু হই দরগা, মন্দিরে, মিছিলে, চার্চে......
মৃত্যুর রং মোমবাতির আলোর মতো।
হাতের গ্লাসে মরার ঘিলুর সরবত,
গন্ডিতে মোমবাতি নক্ষত্র মন্ডল।
ধোঁয়া উঠছে কোথাও কোথাও...
সলতের কি তীব্র বমি ওঠা চিৎকার শহরে তখন।
আমি নিপুণ হাতে নিজ ছায়াপথ অঙ্কনে ব্যস্ত ভীষণ......
চিৎকার করে কেঁদে ওঠে লাশকাটা ঘরের হৃদয়।
দরগার চাদর, প্রতিমার সামনে আমি নতজানু হইনা কখনও,
মৃত্যুর রঙ,মৃত্যুতে আকন্ঠ নতজানু হই প্রজন্মময়।
চুলের অলিন্দে অলিন্দে গুঁজে দিই গুঁড়ো হেনা,
নয়ন প্রান্তরে বুনে দি কাজলের মেঘগুচ্ছ,
কড়ে আঙুলে টেনে তুলি জরা ভার।
মাদারির শেখা শ্রেষ্ঠ ভেলকি আজ জীবনময়।
★ লেখা: ভেল্কি
★ কলমে : বিষফল (14.06.2024), 12.27 A.M
★★★ বিশেষ দ্রষ্টব্য : লেখার সাথে ব্যবহৃত মোম সহ নারী ছবিটি সংগৃহীত






0 comments:
Post a Comment