RSS
কবি, লেখক, সমালোচক, বাচিক শিল্পী, গল্পকার, মানবতাবাদী, নাস্তিক, যাদুকর

থইথই জল


 
 


ওই একটা কই মাছ, ওই একটা শোল মাছ...
আহ্, রাজ্য জুড়ে থইথই জল।

ওই একটা ডিলডো টয়;
টয়লেটে ওই একটা খুলে ফেলা কন্ডোম, আজ।

ওই কতগুলো বেকার, ওই কতগুলো চাকুরের দল।
ওই কতগুলো বস্তি, ওই কতগুলো ফ্ল্যাট ;

ওই কতগুলো ছ্যাঁড়া কাঁথা, ওই কতগুলো টাকা...
প্রত্যেকটায় লেগে আছে যোনি ঘ্রাণ,
পুরুষাঙ্গের ফোঁটা।

ওখানে চেয়ার, ওখানে দল...

আমার ; রাজ্য জুড়ে থইথই জল।

ওই একটা মেঘ, ওই একটা কাজল নয়ান ;
দেশে ; বন্যার শেষ নেই কোথ্থায়।


★ লেখা : থইথই জল
★ কলমে : বিষফল (30.07.2022), 3.46 P.M








  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

আর্দ্র


 

আমার চিবুক ভিজে যাচ্ছে....
ঠোঁট থেকে গড়িয়ে পড়ছে সোমরস।
ওহে সোম, তোমার কিরণে আমার ভিজেছে শব....
আমার চুল্লিতে দাউদাউ করে উঠছে ক্ষত সব।
আমার ঠোঁটের লালায় স্বপ্নেরা ঘাস ফড়িং আজ
চড় চড় করে পুড়ছে এক এক।
আমি সেভাবেই উঠে পড়লাম...
টলছে পা
দাউদাউ করে জ্বলছে পোশাক।
আমি নেমে যাবো গঙ্গায়।।
রবি, তোমার কিরনে আমার বুক পুড়ে যায়....
হে সোম, পানপাত্র ভরে দাও।
আমাদের সন্তানের কাফনের টাকা গুম ঘরে সিল হয়....
টলছে পা....
আমরা শোলার ছুরিতে শান দেবো কাল।
দেশটার উন্নয়নে সোমরস... সোমরস।
নয়ন মুদে নাও....
 
 
★ লেখা : আর্দ্র
★ কলমে : বিষফল ( 28.07.2022) 02.13 A.M.

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

তমসা


 

কথা দে...
শতাব্দী পার মিলবো দুজনে...
তোর কর্কশ আঙ্গুলে....
বৃদ্ধ তালুতে..... হাত ছোঁবো দুজনে...
স্পর্শ নে..
এভাবে নে
আমাকে ছুঁয়ে।
কোন পলি জমা নদীর কিনারে....
পাশে থাকবে শ্মশান শুয়ে।
এভাবে? এভাবে?
শতাব্দী পারে......
ধুলো জমা পার্কের বেঞ্চিতে?
শুনতে পাচ্ছো মিতে..... ভালোবাসি তোমাকে
ভীষণ ভালোবাসি তোমাকে।
তুমি প্রকান্ড একটা লাল টিপ পরে সামনে দাঁড়াবে?
আমি শিউলি কুঁড়াবো সে ভোরে......
তুমি হাত বাড়ালে; আমি মাথা তুলে তোমায় আরাধনা সারবো.....
নেবে পূজা আমার সে সময়ে?
এগিয়ে চলেছে সময়....
মনে রেখো; শতাব্দী পারে আমি তোমার ছাদ বাগানে...
ফুল হয়ে জন্ম নিলে....
পাপড়ি পাপড়ি শরীরে।
তোমার হাতের উপরে....
বৃষ্টি হবে?
 
 
★ লেখা : তমসা
★ কলমে : বিষফল (25.07.2022), 10.45 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কবি ও শব


 

সময়ের-শব কাঁধে বিক্রমাদিত্য দেখেছেন কখনও?
কোন কবির দিকে তাকিয়ে থাকুন কিছুক্ষণ....
এতগুলো শব বাহক ক্রমশ এগিয়ে চলেছে...
শুনতে পাচ্ছো?
মচমচ পাতার উপর...
ছপছপ কাদায়...
খালি পা-য়
অসহ্য হচ্ছে পায়ের তলার বেড়াটা!
মিশে যাক ত্বকময়...
বাতাস,
কবির সারা শরীরে স্মৃতির লাশ....
চটচটে বদবু ঘ্রান।
আমি?
সময়ের শব কাঁধে বিক্রমাদিত্য আমিই...
খাপহীন তরোয়াল হাতে হাঁটছি...
দৌড়াচ্ছি।
পেঁচার ডাক, রাত্রি....
চিঁহি ডাক, অহরহ বজ্রবৃষ্টি।
শবের শরীর ছোঁয়া ধোঁয়ায় ককিয়ে উঠছে শিয়াল....
সংগ্রামে বাদুড়ও ঝাপটে পার।
খোলা তলোয়ার উঁচিয়ে ধরলাম...
বিদ্যুতের আলোয় গরম ভাতের মতো রং তার।
 
 
★ লেখা : কবি ও শব
★ কলমে: বিষফল (11.07.2022) / 14.07.2022)

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

বরাহ-প্রনয়

 


আমি আমার কলমের নিবটি ভেঙে নিয়েছি তখন,
আত্মমৃত্যু ওসব।
ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-ইনস্ট্রাগ্রাম
বারমুডা ট্রাঙ্গেলের তিনটি বিন্দু বলি বরং
আমার বিশাল জাহাজ তরঙ্গে তছনছ
ছিঁড়ে উড়ে পতাকা বনবন পাক খায়
পাটাতন ময় জল জল জল
পদ্মা সিন্ধু যমুনা গঙ্গা....
একলহমায় উথলে ওঠে যেমন ধর্মময়,
শিরায়....
কন্ঠের লালা জমাট।
প্রতিবাদ দাবী দাওয়া হীন হয়।
ইসারায় ঝড়কে বললাম থাম....
নাহ, আমি ক্রুশ বিদ্ধ যিশু....
এ সত্য জগৎ কে জানাবো না।
সম্পর্কে করাত হাতুড়ি গাঁইতি চালাবো না,
মেরামত আমার আজন্ম পেশা....
আসবাব কিম্বা কাঁচ আমি আর সহ্য করি না।
নিটোল হাওয়া বইতে থাকে সম্পর্ক টায়,
আমি তির ধনুকে বিদ্ধ করবো ক্ষুধা
ভীষণ মহড়া দিনরাত, আকাশ মেঘলা।
কমল লতায় জড়িয়ে থাকে চন্দ্রবোড়া,
শাঁখামুটি জিহ্বায় আমার।
এভাবেই রোজ বারমুড়ায় যুদ্ধ সমাপ্ত হয়,
দামামায়...
আকাশগঙ্গা ঘাস ফড়িং এর শবে ম্লান,
কাতরায়।
শত যুগ পৌঢ় বজ্র ইন্দ্রের থেকে কেড়ে নিলাম,
ফালাফালা করে ফেললাম
কচুর মূল গোটাকয়।
 
★ লেখা : বরাহ-প্রনয়
★কলমে : বিষফল ( 04.07.2022), 11.13 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

সুস্থ


 

মনের এ মৃতদেহটা তোর জন্য
শুধু তোর
হৃদপিণ্ডের জমাট বাঁধা রক্তগুলো তোর
ভীষণ তোর
এখানে ফোটে না একটাও কমল
পঙ্কে আজ পচন
থিক থিক সাদা সাদা কিট কতক....
এগুলো তোর।
ককিয়ে উঠো না অমন
মুখ ঢেকে ফুঁপিয়ো না
হাত সরাও
বৃষ্টি দেখিনি এমন কখনও
মুখটা তুলে আঁশফলের গুঁটির দিকে তাকাও....
ওসব আমার হৃদয়ের ক্ষত।
তুমি ঠোঁটে নাও
সুমিষ্ট? তিতো?
এই?
মনের এ মৃতদেহটা তোর জন্য
শুধু তোর
হৃদপিণ্ডের প্রতিটি শিরায় জমাট বাঁধা রক্ত
শুধু তোর
আধ পোড়া শবের মতো এখনও অসম্পূর্ণ
তুমি ছাদবাগানের ফুলগুলোয় শতাব্দী পার,
আমায় খুঁজো একবার
কুমড়ো ফুলের হলুদে তোমার আমার স্বয়ম্বর
নামতো হারাবে একটা সময় পর
★ লেখা : সুস্থ
★ কলমে : বিষফল (22.06.2022), 01.10 A.M.

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কেমোফ্লেজ


 


একটা ছবির জন্য জল রং খুঁজছিলাম
থোকা থোকা জমাট রক্ত
আমার আত্মীয়ের সব
আমি তাতে তুলি বোলালাম
কি কঠিন তা
অশ্রু মেশালাম
হৃদয়ের অশ্রু তা
একটা ছবির জন্য জল রং খুঁজছিলাম
এত রক্ত চাইনা
পরনের সদ্য কাচা গেঞ্জিটা খুলে রাজপথ মুছে দিলাম
এখন সেথায় ফুলের পাপড়ি কতক
সস্তায় কেনা ধূপের ক্রন্দনও
আমি নেউল হয়ে গড়াগড়ি খেলাম সেথায়
আমার হৃদপিণ্ডটা সোনা হয়ে উঠলো
কি চকচকে কঠিন উজ্জ্বল
সাইরেন বাজাও....
উপড়ে ফেলো হৃদপিণ্ডটা
কপালের মাঝখানে একটা গুলি উপহার দাও রাষ্ট্র আমায়
পিছু হঠো দমকল
আগুন লাগুক আমার শিরা উপশিরায়
পুড়ুক চড়চড়
খন্ড বিখন্ড হোক আমার দেহ চৌরাস্তায়
আলো নেভাও.....
তোমার প্রতিহিংসা মিটেছে শহর এবার?
একটা ছবির জন্য জল রং খুঁজছিলাম
তুমি আমি হাততুলে মোনাজাত করতে চেয়েছিলাম....
তুমি আমি হাত তুলে মানুষের বসতি চাইলাম।
তোমার হাতে কপালে ছিটকে পড়লো আমার রক্ত মিতা
এসবের জন্য এত শিল্প সব?
এসবের জন্য এত সঙ্গীত কাব্য রোজ?
★ লেখা : কেমোফ্লেজ
★ কলমে : বিষফল (10.06.2022), 10.47 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ফনা

সেদিন একটা গোখরো আমায় জাগিয়ে তুললো...
তার এখনও অনেক সঙ্গম বাকি ছিলো,
কিম্বা পরকীয়াও ।
সন্তানের মাথায় নত জিহ্বা বুলানো...
এত সব বাকি, অধরা হলো।
অবশ শরীরটা মৎসের জন্য কারেন্ট জালে আটকা পড়লো.......
স্বর্ন গোধিকাটা সেজন্যও আমার পায়ে ঠোক্কর মারল,
অভিযোগ তারও....
বাঁচতে দাও.... বাঁচাও ।
শৈশবে সর্প সঙ্গম দেখে প্রেম রপ্ত করেছি ভীষণ...
কিভাবে প্রেম যোগাতে হয় কিম্বা রং কতটা ঢালতে হয়।
তুমি দেখেছো?
তোমার সন্তান?
পাথর হৃদয় ক্রমশ....
আমাদেরও বাঁচতে দিন আজ ।
চুমু খেলাম কালনাগিনীর গাল...
কি নিষ্পাপ।
নতুন লাল গামছা পেতে দিলাম,
হলুদ ও কালো তীব্র বিষে তা ভেজাও।
আকাশে মেঘ ডাকছে আজ.....
আবার আমি দুচোখে দুটো গোসাপ সঙ্গম দেখতে চাইলাম।
সর্পগন্ধা শিকড়ের অপঘাত...
হৃদয় টা আজ অ্যান্টিভেনাম
তুমি ছোবল দাও.....
দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিডে আমার মৃত্যু হয়,
জল দাও....
ঢাকা সরাও,
শ্বাস নেবো ফোঁস ফাঁস...
 
★ লেখা : ফনা
★ কলমে : বিষফল ( 03.06.2022), 10. 32 P.M


 

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

প্রবচন


 


শহরের থরেথরে সাজানো ল্যাম্পপোস্ট গুলো একবার নিভিয়ে দেবো...
আমি হেঁটে যাবো।
ডেকে উঠুক কাকগুলো...
মেঘ করুক তখন,
কেঁদে উঠুক পরিটা ভীষণ।
টস টস করে ঝরুক অশ্রু,
ভিক্টোরিয়ার মর্মর অশ্রু,
ঠোঁটে নিক ময়ূর...
হন হন করে এগিয়ে চলেছে ঈশ্বর।

রাস্তার ধারে, আবর্জনার সাথে জ্বালানো হোক ধূনা,

জলের ট্যাঙ্ক গুলো থেকে খুলে দাও পাইপগুলো সব.....
আমার দু কাঁধে ছেয়ে বসুক জোনাক।


ব্যানার প্লাকার্ড নামাও সব...
কাব্যে মুড়ে ফেলো শহর, পার্ক
ময়দানে টাঙাও শব্দ, অক্ষর, বাক...
শব যান গুলো শ্মশান থেকে শ্মশান ফিরে যাক ।
খালি পায়ে কবি হাঁটবে আজ...
ভেঁঙে গুঁড়িয়ে যাক ঘাসের কোমর, হাড় ।

হন হন করে এগিয়ে চলেছে ঈশ্বর।






★ লেখা : প্রবচন
★ কলমে : বিষফল (26.05.2022) & (27.05.2022)

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

রাত্রিমাস


 
 

 

নিঃসঙ্গ নারকেল গাছ ভিজছে ঠায়...
হৃদপিণ্ডে তার নকল পেসমেকার
কেঁপে কেঁপে উঠছে তা।

জোছনা শুঁষে শুঁষে রক্তশূণ্য জোনাক।

উনোনে মনোপিয়া ঘ্রাণ চটচট করে মাখা হয়...
হুস হুস করে বয়ে যায় জারজ বৈশাখ ।

তিরতির করে নত হয় গনেশ ভার্যা....
শরীরে তার বাসর চ্যুত রস।

ঠুকরে ঠুকরে ছোঁয় পরকীয়া বর্ষা
উত্তাল কেশ
আর তার কম্পমান ঠোঁট দ্বয়।

শিরা ছুঁয়ে কাঠপিঁপড়ে বাইছে গোটাকয়...
ফু দিলাম
এখন ওর সঙ্গম মাস।
মধু মুখময়।।

ছাদবাগান ভাগ হয় বিভিন্ন সম্পর্কটায় ।
সিঁড়িতে রোজ কত কাজল ঢেউ হয়।
নয়ন গুলোতে রোজ কত নতুন বর্ষা।
সব কিছু ছাড়িয়ে....
নিঃসঙ্গ নারকেল গাছ ভিজছে ঠায়।

অর্জুন গাছে পাখির বাসা তছনছ...
রিঠা ফল শুঁকে চড়ুই আর গায়?
রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া....
প্রকৃতির গায়ে-হলুদ, ফুল-শয্যা।

শিউলি, পলাশ?

নিত্য ছাদহীন সংসারে অভ্যস্ত ওরা....
মেয়েরা সুবিন্যস্ত চুল, ছেলেরা খালি গায়
হ্যাঁ, আজ এথায়, কাল ওথায়।

তারপরেও.....
তিরতির বর্ষাকাল, শামুক ব্যাঙ
পা পিছলে কচ্ছপের গায়.....

নিঃসঙ্গ নারকেল গাছ ভিজছে ঠায়...

স্টোভে ফোটে টগবগে চা....
উনোনহীন সংসারে ভাগ হয়।

মিলের মুড়ি, ঘুগনি আর কোচা শশা...
তেলশূন্য ডিমভাজায় পিঁয়াজ কুচি গোটাকয়
শন শন করে বয়ে চলে এসবের উপর দিয়ে কুমারী বৈশাখ।

মুরগির পায়ের ছাপ, গৃহস্থের উঠোনময়,
কামাক্ষ্যা.....
শুরু করো অনাঘ্রাতা যোনি মন্থন।

তছনছ হয় স্পর্শ, তছনছ হয় শব।

নিঃসঙ্গ নারকেল গাছ ভিজছে ঠায়...

★ লেখা: রাত্রিমাস
★ কলমে : বিষফল (11.30 A.M, 10.05.2022)

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS


 


ভীষণ অন্ধকার.....
সূর্য ছোঁয়নি এ খাদ।
ঘোড়াটার খুর আটকে থরথর....
পবনও নিথর
মিতা.... মিতা....
উচ্চ স্বরে চিৎকার
ক্রমে ক্রমে ফিরে আসে দু কানে আমার
হাত থেকে পিছলে যায় চাবুকটা
কোথায় যাবে নস্যর এ প্রান?

সূর্যাস্ত সূর্যোদয় কোথায়?

নীল তিমির জঠর এ নয়?

নক্ষত্রও খসে পড়েনা এ গভিরতায়....
বুনো হাঁসও এথায় নীড় পাতে না।
শ্যাওলা সংকেতে পাতাল( নব অজান্তা) এ এক
আমি সে শ্যাওলাতে ঠোঁট ছোঁয়ালাম
তালু ছোঁয়ালাম
পোষাক খুলে ফেললাম
প্রচন্ড হ্রেষাতে লাফিয়ে উঠলো ঘোড়াটা
বজ্রপাত ভীষণ চেনা
তীব্র অন্ধকার.....

আমার বুকের পাঁজর খুলে মাটিতে রাখলাম
তীব্র নতজানু হলাম...
আবারও বজ্রপাত।
নাহ্ এভাবেও ঈভ সৃষ্টি হলো না
পাথর দিয়ে ঠুকে ঠুকে হাড়টিতে কয়েকটা ফুটো করলাম
তীব্র জোরে ফুঁ দিলাম
কেঁপে কেঁপে উঠলো পাথর আসপাসের সব
আমার চোখ নিদ্রায় জড়িয়ে এলো হঠাৎ
আমার নগ্ন শিশ্নে কামড় বসায় একটা নগ্ন সাপ
আমি আ মিতা, আ মিতা বলে ককিয়ে উঠলাম....
প্রচন্ড হ্রেষা ধ্বনি আবারও খিলখিল পাথরটায়

সূর্য ছোঁয়নি এ খাদ।
ঘোড়াটার খুর আটকে থরথর....
পবনও নিথর
মিতা.... মিতা....

★ লেখা : আ
★কলমে : বিষফল (16.04.22), 10.13 P.M


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

প্যাহেলগাঁও


 


মনে পড়ে মিতা?
শতাব্দী পার আগে আমি তোমার কাঁধে হাত রেখেছিলাম।
মনে পড়ে শিকারা? আপেল বাগান?
প্যাহেলগাঁও?
মনে পড়ে মিতা?
আমি তোমার পাসে দাঁড়িয়ে ছিলাম।


তুমি বরফের চিৎকার সহ্য করতে পারছিলে না
আমি তোমার কানেরটা ঢেকে দিয়েছিলাম।

তুমি শেষ হেসেছিলে....
আমরা যখন মুঘল বাগ পৌছে গিয়েছিলাম
গোল্ডেন লেকের মিনা বাজারে তুমি আমার সে হাসিটা মনে রেখেছো মিতা?
শেষ বার তাকিয়ে ছিলে সেবার!

গন্ডোলা রাইডে তোমার হাতে আমার হাত?
মনে পড়ে মিতা?
শতাব্দী পারে তোমার হাতে আমার হাত?

লিডার রিভার কিম্বা অ্যারু ভ্যালি পার সিন্ধুটা?
তোমার চোখে চকচক করছিলো কাজলটা
তুমি পলকা ডানায় পতপত করে পতঙ্গ একটা
ভুলিনি গুলমার্গ, ভুলিনি বরফ কনা
তোমার সদ্যহীম হাত

আবারও মিলবো আমরা লাদাখ....
LOC তে বসে গুনবো চাঁদ
ঝাঁঝরা হওয়া কোন শহীদ-পোষাক
থাকবে আমাদের গায়

আমরা বরফখুঁড়ে পুঁতে দেবো অনিয়ম সব
দু'হাতে বরফ সংসার
সোনমার্গে তোমার আলিঙ্গন....
আমায় আমৃত্যু শীত বোধ হতে দেবে না
আমি শীত বোধ করিনা
তোমার শ্বাস, তোমার শ্বাস
সিসা হয়ে উঠেছিলো তোমার শরীর মিতা
আমি আর জোৎস্নায় তাকাই না
তাকিয়ে থাকি তোমার মাথায় চুর চুর তুষার

আমরা ঘোড়া ছুটিয়ে জোজিলা পাস থেকে ঝাঁপ দিলাম...



★ লেখা : প্যাহেলগাঁও
★ কলমে : বিষফল (08.04.22), 01.15 A.M.






  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

নিশা


 


রেইন ফরেস্ট....
আমি তোমার ঠোঁট থেকে স্পঞ্জের মতো আদর শুষে নিচ্ছিলাম
আমার কানে তোমার এখনও আদরের দাগ
আমার হাতের আঙুল গুলোতে তোমার ঘাম, ঘ্রাণ

একটা গাছের শবে বসে দুজনে ক্রমশ শৈবাল হয়ে উঠলাম

ফ্ল্যাশ ফ্ল্যাশ ফ্ল্যাশ
প্রেমের জন্য পৃথিবীটা আদৌ যোগ্যই নয়


ঠোঁট থেকে ঠোঁট খসে যায়
শরীরীলতা মেরুদণ্ড পায়
স্মৃতির প্রলেপে আবার মাস্ক

এভাবেই আমি বারবার লীন হয়ে যাই
সামনে মরুদ্যান বেঞ্চ আজ সারসার
বিকালের হ্রাস আলোয় আমার মাথা নত হয়
আমি একলা হাঁটতে থাকি আবার।।
ক্লান্ত ঘোড়ার গালের গ্যাঁজায় সকালটার মৃত্যু হয়
আমি কাক ডাকা গাছের তলায় থপ করে বসে পড়লাম
থকথকে রাত আমার আঙুলের আলোয় আলোকিত হয়
ততক্ষন পৃথিবীতে শুরু হয় ভোরের আজান..
আমার ঘুম ভেঙে যায়।

দৌড়ে যাই ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ইন্সটাগ্রাম
নাহ, তুমি ভুলে গেছো ঘুমে...
মেসেজ ছিলো না
আমি আবারও ঘুমিয়ে পড়লাম।।



★লেখা : নিশা
★ কলমে : বিষফল ( 06.04.22), 04.42 P.M





  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

অন্য প্রহর


 



তুমি কোনদিন শিয়ালকাটা পরেছো খোঁপায়?
কিম্বা বুনো ভাট?
কোনদিন রাংচিতার মধু ওঠোঁটে চুষেছো মিতা?
তুমি কোনদিন অপরাজিতা লতা পরেছো গলায়?
কিম্বা দূর্বা?
তুমি পরে নিও নগ্ন হাতটায়, আকন্দের মালা
আমার হাতটায়?
তুমি পরে নিও প্রসবঘ্রাণ, ও শরীরটায়?
তুমি শেষবার কেঁদে....
সেরে নিও ইউরেনাস পরিক্রমা ?
তুমি হাত বাড়ালে প্রজন্ম-বিপ্লব,
সৃষ্টি স্বয়ম্ভু হয়।
তুমি কোনদিন, ইউক্যালিপটাস এর দুল পরেছো লতিটায়?
কিম্বা..
তোমার ঠোঁটে আজ পূর্নিমা, অমাবস্যা...
নয়নে আকাশগঙ্গা।
চিকচিক করে ওঠে চিবুকে সৈকত, পাহাড়
তুমি কেশ এলালে সূর্যাস্ত সূর্যোদয়
তোমার মন খারাপে চিৎকার করে ওঠে শিয়াল
তোমার চোখে জল এলে নিরব....
শুক্তির বুকে মুক্তোর জন্ম হয়।
তোমার অভিমানে সহস্র নক্ষত্রের মৃত্যু হয়
পাহাড় চূড়ায় তুমি প্রকৃতির অলঙ্কারে সামনে আমার
আমি মাদলে তীব্রতম আঘাতে হত্যা করলাম সমাজ।
তুমি স্থির নয়ান
এভাবে তুমি কোনদিন অপরাজিতা লতা পরেছো গলায়?
কিম্বা বুনো ভাট?
 
 
★লেখা : অন্য প্রহর
★ কলমে : বিষফল ( 13.03.22), 10.01 A.M



  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ঈশ্বরত্ব


 



 
 
চলো, খালি পায়ে আমড়া ফুলে পা মাড়াই আজ।
মাড়িয়ে মাড়িয়ে পৌছে যাই সমাহিত যিশুর সেই গুহায়
যন্ত্রনাগুলোর চিৎকার সারা কানে ফেটে পড়ুক আবার
আমি দু হাত পাথরে বিছিয়ে দিলাম
গেঁথে দাও দু হাতে লোহার শলাকা
আমার দু পায়ে গাঁথার পর,
নাহ, পৃথিবীর সমস্ত পাপের শাস্তি এতটুকু নয়
এত টুকু হতে পারে না
এ তুচ্ছ কারনে আমায় ঈশ্বর বলুক কেহ, চাইনা
ঈশ্বরপুত্রও না
আমি তীব্র রোদে ওভাবে তিন রাত্রি তিন দিবস পার করলাম
এ যন্ত্রণা, তোমার নিরবতাগুলো থেকে কম মিতা
সকালে আমরা চলো রোজ হাঁটি মেহগনি ফুলটায়
ওঠো, 'চোখ গেলো' 'চোখ গেলো' বলে আকাশে আর কেউ চিৎকার করবে না।
 
★ লেখা : ঈশ্বরত্ব
★ কলমে : বিষফল (13.03.22), 7.48 A.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS



 জেন্ডার দিবস?

সোজা কথায় বিভাজন সব।

এ দিনটা আমার, ও দিনটা তোর ও দিন টা বৃহন্নলার।
ও দিনটা উঁচুর, ও দিনটা নিচুর।
বাহ্, বাহ্
সেলিব্রেশন।
প্রত্যেকটা দিন আমাদের কেবল।
বিভাজন আঁটবেন না।
ও আর আমি একই স্বত্বা।
আলাদা উদযাপন, চাবুক কোথায়?

★ বিষফল : (08.03.22)


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

উপহার


 

দেশে যুদ্ধ বাঁধলে সরকার পরিবর্তন দরকার বরাবর ।


আমার বাড়ির ছাদ, আমার বেনামি শরীর
সেটা কি আপনার টেবিলের ঘুঁটি রাজভবন ?


দেশে ইতর সেনাদেরও এনকাউন্টার দরকার ভীষণ

কার ইশারায় আমার প্রিয়ার ছাদবাগান তছনছ হবে ভাবেন কখনও?


আপনার রক্তের গাঢ় সরবত....
স্ট্র তে কে চুঁষে খেতে উদ্ধত?


এক একটা যুদ্ধ পৃথিবীর অপমৃত্যু নয়?
ও বাতাসে শিশু শ্বাস নেবে কেমন?


তুমি উপহার দিলে থকথকে জমাট রক্ত
আর দূষিত বায়ুমন্ডল
আপনার জন্য এখনও ফাঁসির দড়ি তৈরি প্রয়োজন


চারটে পায়া টেবিলটা লাথি মেরে ওল্টানোর জন্য কটা পা প্রয়োজন?


দেশে যুদ্ধ বাঁধলে সরকার পরিবর্তন দরকার বরাবর ।

আদরের আচারের বয়াম, সদ্য শুকাতে দেওয়া দূর আত্মীয়ের বড়ি সব
কার ইশারায় তছনছ হয়?
বোমারু বিমানগুলো আপনার সুখ দুঃখের নিয়ন্ত্রক?


পৃথিবীর এক একটা নিকৃষ্ট টেবিল গুলোর জন্য আজও যুদ্ধ হয়

যুদ্ধ গুলো বেঁচে থাক হৃদয়ে হৃদয়ে, গোপন।


চলুন আমরা উঠে দাঁড়াই প্রত্যেকে প্রত্যেকের ছাদটায়
বোমারু বিমান গুলোর দিকে উঁচিয়ে ধরি গোলাপ
কিম্বা ঘাসফুল
ওরা ট্রিগার চালাক।



★ লেখা : উপহার
★ কলমে : বিষফল (03.03.22), 12.45 PM










  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

অস্তিত্বের ওপার


 

এই ঝগড়া, এই ভাব, করবে মিতা?
তুমি আমায় শাস্তি দিলে, আমার চোখে জল।
তাও অমৃত।।
যেদিন শাস্তি থাকবে না কোনো,
সেদিনই অবাক হবো।
তারপরে কাছে ডেকে নিও?
অশ্রু টা তুমি মুছে দিও?
নয়তো শুকিয়ে যাওয়া চোখে....
তোমার কাজলে কাজলে ভোরে?
আমি চোখ বুজে...
শাস্তি, শাসন করবে না আমাকে?

এই ভাব এই ঝগড়া, করবে?
এই মিতা?
চুপকরে?
তুমিই না বলেছিলে, আমৃত্যু সাথে থাকবে!
এত দ্রুত অসহ্য হলেম?
কিসের যাপন এ তবে হে?
সমস্ত পৃথিবী থেকে দূরে নিয়ে গেলে,
তুমি মুচড়ে পড়বে?
বিমর্ষ হবে?
তৃপ্তিতে কম হবে, জগৎ সংসার থেকে ওই দূরে?
হে মিতে, বলবে?
তুমি মুচড়ে!

সামনে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে
নিজে হাতে কালো কাপড়টা মুখে টেনে নিলেম।
এবারতো মুচকি হাসবে?
দূর থেকে...

সেই তুমিই বুঝলেনা।
যার জন্যে জগৎটাকে স্বর্গ রচলেম!
তোমাতে আমাতে, এত অভিযোগ!
ভালোবাসা ঠাওরেছিলেম!
কালো কাপড়ে, অশ্রু ঢাকা থাক এভাবে।

★ লেখা : অস্তিত্বের ওপার
★ কলমে : বিষফল (18.02.22), 12.31 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

ডিসপেনসারি


 


 

একটু চুমু খান, আমার সাপের মত লকলকে ঠোঁটের ডগায়

ধুর, আমার তো জ্বর এসময়
তোমার ও স্বপ্নে ভরা আঁখিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকবেন মিতা?
আজ ও ঠোঁটে হাসি নয়
জোয়ার আমার বড্ড ভয়।

তুমি হাত বাড়ালে আমার চোখে সকাল সন্ধা হয়
নয়তো নিদ্রাহীন প্যাঁচার ফ্যাকাসে আস্তানা
আমি চোখ থেকে সরাতে পারি না।

তুমি চোখ বুজে কোথাও হেলান দাও আজ
তোমার হাতের উপরে আমার উষ্ণতম হাত
পুড়ে যাক লোম খড়
অস্বস্তিতে এভাবে ফেটে পড়ে...
চিৎকার করে ওঠো আহ্
মাথাটা ঝাঁকুনিতে বামদিকে সরাও

মিতা,
একটু চুমু খান, আমার সাপের মত লকলকে ঠোঁটের ডগায়

ধুর, আমার তো জ্বর এসময়

অথচ তুমি সেসময় জলপটি খুঁজে সারা
আমার ওষুধের বাক্স কোথায় জানতে চাও

এভাবে আমি সুস্থ হই কোনবার?


★ লেখা : ডিসপেনসারি
★ কলমে : বিষফল ( 13.02.22), 03.10 P.M.


  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

উত্তাল


 

সত্যি আমার খুব বড়ো হয়ে ওঠা দরকার,
ভীষণ বড়ো হয়ে ওঠা দরকার।
পেঙ্গুইনের পায়ের তলায় আজও বাচ্চা হয়ে রয়ে গেলাম।
সেই ডিম ফোটা অবধি আমার স্থান পায়ের তলায়।
আমারও ডানা ঝাপটে একটা সিলকে
দেখিয়ে দেওয়া দরকার
আমার ভীতরের রক্ত জমাট বাঁধতে না দেবার তাগিদে
পিঠে বুক রেখে
সার সার পেঙ্গুইন সভা বানাবার
আমারও দরকার, তাতে....
প্রকান্ড নীল তিমির দাঁতে আটকে
রক্তাক্ত জীবন শ্রেয় আমার।
আমায়ও ছোঁ মেরে তুলে নিক কোন প্রকান্ড অ্যালবাট্রস
তার নখে ঠোঁটে ভিজে যাক
আমার নীল স্বপ্ন সব।
দিনরাত মাথার ওপরে তুষার আর তুষার
মেরু ঝড় আর ইগলুর দংশন

চিৎকার করা সিগাল, আজ আমি তোমার যন্ত্রণা বুঝি সব
কেনো তোমার চিৎকারে আজ আকাশের বুক ফেটে যায়
তিরতির করে কেঁপে ওঠে সে স্বরে
হিংস্র নেকড়ের থাবা
শ্বেত ভল্লুকের দাঁত
সব... সব...
আমার ভীষন অন্ধকার নীল-তিমির জঠর দরকার।
বৃষ্টির পর পুরো পৃথিবীটার মুখ থমথম।
ব্লাকহোলের কেন্দ্র বিন্দুতে আমার জন্য একটা আসন পেতে দাও।
আমায় মৃত-গ্রহে মাথা দিয়ে ঘুমাতে দাও

একটাই মাত্র ইচ্ছা আমার...
শূকরের মাংসে লেবু মিশিয়ে দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খেতাম
বারমুডা ট্রাঙ্গেলের সীমায় কোন উত্তাল জাহাজের কামরায়।
নাবিক পাল ছিঁড়ে দাও

পেঙ্গুইন জীবন আর নয়

★ লেখা : উত্তাল
★ কলমে : বিষফল (04.02.22), 10.07 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

কালগর্ভ


 

ছুটতে ছুটতে মমির পায়ের তলায় ক্লান্ত আজ।
নতজানু মাথা ঠেকাই
হাতের পানপাত্র খালি এবার
ছুঁড়ে ফেললাম
পবিত্র হৃদপিণ্ড টার ন্যায়
হে ঈশ্বরের জীবাশ্ম, আমি ক্লান্ত আজ
তোমার অলিগলিতে এত পাঁক

পচে যাওয়া ধুলোর ক্ষতে নত দ্রাঘিমা।
তোমার তুলো রসায়ন বুকে ঘ্রান....
আমার শেষ সম্বল।

আমি এখন হাঁটছি স্টানলি সেতুর মাঝবরাবর

দু হাতের শিরা কেটে দিলাম
ধিরে ধিরে বয়ে চলেছে নীলনদটায়
এখন ওর জল গোধূলির ন্যায় ।
পৃথিবী, আঁচলা করে এ জল তোমার গর্ভে নাও
আলেকজান্দ্রিয়া ওটি সাজাও
জন্মহোক আরেকটা ঈশ্বরের সন্তান

আবু সিম্বেলের মন্দিরের চূড়ো থেকে শিঙা ফুঁকানো হোক এবার.....

গাঢ় নীলে ধুয়ে দাও স্ফিংসের মাথা,
ওর পশু শরীরে মাখানো হোক সুগন্ধি মশলা।

পিরামিড অভ্যন্তরে শায়িত হোক আমার পোশাকহীন শব,
জানাজার আদলে হোক আমার শেষ বিদায়।
তুটেনখামেনের মুকুটটা নামিয়ে আমার মুখ ঢেকে দাও !
ততক্ষণে বেড়ে উঠুক সহস্র গর্ভে ঈশ্বরের সন্তান.....

কায়রোর বাজারে বিক্রি হোক মোমূর্তি আমার।
কার্ফু হোক এটা.....

★ লেখা : কালগর্ভ
★ কলমে : বিষফল ( 25.01.22), 08.58 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

রং....


 

ছুটি নয়?
বনবন করে ঘুরছে সব।
মনে পড়ে যাচ্ছে নাগরদোলা সব
ঘুরপাক ঘুরপাক, ডুব সাঁতার....
ঢুস করে ঠেলে ওঠা শুশুক ও সব?
মৃত্যু নয়?
চোখের কোনে মরচে ভাঙছে কচকচ।
হিম কি ভীষণ রক্ত সব
দাঁড়কাক কাঁদছে কি অদূরে ভীষণ?
ঠোঁটের থেকে চুঁইয়ে আসছে রক্ত
শিয়ালের মতো তালু চেঁটে নিলো
কি বিভৎস
তুমি নয়ন সরাও....
ছুটি এখন?
লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে হৃদপিণ্ডের শিরা সব।
ছিঁড়ে পড়বে এখনি তর্জনি নিশ্চয়
থামাও থামাও জলের ছলাৎ ছল....
কানের মধ্যে তুমি দাঁড় বন্ধ করো আজ।
পাতা পচার গন্ধে উগরে আসছে তরল ঠোঁটময়
মৃত্যু নিশ্চয়?
তুমি কষ্ট পাবে
দূরত্বে দাঁড়াও, বন্ধ হোক ঝড়...
পাতা ঝরছে শরীরময়, জগৎ দেখবো শেষবার।

ভাতটা পরির মতো কি সুন্দর, সূপটা নরকের মতো কি উষ্ণ!
হাঁ..... হাঁ.....
অসাড় কন্ঠ, তোমার চোখে জল?
তোমার শাড়িতে আমার মুখ ঢেকে দাও ।
সূর্য কে একটুও ছুঁতে দিতে দিও না....

ছুটি নয়?

★ লেখা : রং....
★ কলমে : বিষফল ( 21.01.22), 12.55 P.M

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS