তোকে একলা হাঁটতে দিয়েছি দীপা, দেসা।
আমার ছায়াটা প্রাচীরের এপার।।
আর শুনি না দুঃখ ভার।
আঁৎকে উঠি না তোর অনিদ্রায়।।
তুমি চেয়েছিলে আমার হৃদয়ে একটা মিউজিয়াম গড়তে।
অশ্রুর জীবাশ্মগুলো ক্রমশ বাড়ছিলো।।
শ্মশানে চিলের চিৎকারের মতো....
কিম্বা কৃষ্ণপক্ষে বকশিশুর ক্রন্দন যেমন.....
মাথায় শালু জড়ানো, কাপালিক একজন।।
নারীর কাছে পাপ কুড়াতে আমার এ জনম...
তুমি ঠিকই দেখছো, আমার হাতে তরবারি, রক্তাক্ত, উঁচানো।।
এভাবেই অশ্রু দিয়ে কবিতার যোনি, বক্ষ, নিতম্ব গড়া হোক।
ধর্ষিতা হোক আমার প্রত্যেকটা কবিতা।।
আমার প্রত্যেকটা জীবাশ্ম তুলে দিলাম হামানদিস্তায়,
সারা রাত গভীর ঘামলাম....
সকালে উত্তুরে বাতাসে সব উড়িয়ে দিলাম।।
তবুও ডাস্টবিন জন্ম থেকে কেউ আমায় মুক্তি দিলো না,
প্রকৃতিকে বেশ্যা বলে বহুবার সঙ্গম করলুম,
পুষ্পমালায় বির্য ছড়ালুম।।
হৃদয়ের চক্রবূহে এ কি ঘোর নির্যাতন,
হোক পরমাণু বিস্ফরণ।।
শাওনের ধারার মতো....
আমার ছায়াটা প্রাচীরের এপার অনামিকা।।
ভয় পাই তোমার দুঃখ, অনিদ্রায়...
আমাকে মিউজিয়াম বানাবার জন্যে...
হে প্রকৃতি তোমায় আমৃত্যু ক্ষমা করবো না।
আমার কাটা বৃদ্ধাঙ্গুলটা তোমার পায়ের তলায়।।
★ আমি ও প্রকৃতি
© বিষফল ( 18.01.2020)






0 comments:
Post a Comment